গণবিরোধী
সরকারের সর্বত্র দুর্নীতির প্রতিবাদে বিএনপি এই বিক্ষোভের আয়োজন করে। এতে
সভাপতিত্ব করেন দলের মহানগর আহবায়ক সাদেক হোসেন খোকা।
মির্জা
আলমগীর বলেন, ‘‘আমি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই তারা জাতির জন্য আবারো বড়
ধরনের একটি কাজ করেছেন। তারা কালো বিড়াল বেড় করে এনেছেন।’’
তিনি
বলেন, ‘‘আমরা বার বার বলে আসছি এই সরকার সবক্ষেত্রে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত দুর্নীতিতে সয়লাব হয়ে গেছে। বিশ্ব ব্যাংকের তার
অঙ্গুলি প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাক করেছে। তারা পদ্মা সেতুতে অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে
দিয়েছে। তারা বলছে এই টাকা আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রীদের পকেটে চলে যাবে।’’
তিনি
বলেন, ‘‘বিমান মন্ত্রণায়লয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি রেজুলেশন করে বলেছে বিমানে
দুর্নীতি হচ্ছে। বিমানের চেয়ারম্যান বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান জামাল উদ্দিন নাকি
প্রধানমন্ত্রীর আপন লোক। সরকার কুইক রেন্টালের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট
করেছে। আর লুট করার জন্য সংসদে এমন আইন করেছে যে এ নিয়ে কোনো মামলাও করা যাবে না।
তবুও শান্তি পেতাম যদি বিদ্যুৎ পেতাম।’’
তিনি
বলেন, ‘‘সরকার বলে বেড়াচ্ছে সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।
কিন্তু বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবে মাত্র পাঁচ থেকে সাত শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
উৎপাদন হয়। বাকি গুলোয় উৎপাদন হয় না।’’
মির্জা
আলমগীর বলেন, ‘‘সুরঞ্জিত বাবুর ভাগ্য খারাপ। তিনি ধরা পড়ে গেছেন। সরকার বার বার
চেষ্টা করছে সুরঞ্জিত বাবুকে জবাই করে যদি বাঁচা যায়। কিন্তু বাঁচতে পারবে না।’’
তিনি অভিযোগ করেন, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির দাবি করা হলেও সরকার তা কেনো করছে
না।
সরকারের
সময় ফুড়িয়ে এসেছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘যতই কৌশল করেন সময় আপনাদের শেষ হয়ে গেছে।
এখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
ফিরিয়ে এনে নির্বাচন দিন। নইলে দশ জুনের পরে দুর্বার আন্দোলন শুরু করা হবে।’’
No comments:
Post a Comment