প্রতিদিন ২৪ ডেস্ক
শহরের দোকান-পাট, স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত বন্ধ থাকলেও প্রধানসড়কসহ বিভিন্ন সড়কে রিকশা, মোটরসাইকেল চলাচল ছিল না।
মহাসড়কে ২/১টি করে ট্রাক চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। ব্যাংকগুলোতে লেনদেন হয়েছে সীমিত।
সকাল ১০টায় বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল কড়া পুলিশি পাহারায় শহর প্রদক্ষিণ করে। শহরের কোথাও বিএনপির কোনো পিকেটারকে দেখা যায়নি।
রংপুর রেল স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার শাকিল খান জানান, দুপুর পর্যন্ত রংপুর স্টেশন থেকে তিনটি ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। অপরদিকে লালমনিরহাট, পার্বতীপুর, দিনাজপুর থেকে তিনটি ট্রেন রংপুরে প্রবেশ করেছে।
তিনি দাবি করেন, প্রতিদিনের ন্যায় ট্রেন চলাচল ছিল স্বাভাবিক।
রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান, হরতালে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো প্রভাব পড়েনি। সকাল থেকে বিভিন্ন বিভাগে ক্লাস যথারীতি হয়েছে।
রংপুর কোতয়ালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলতাফ হোসেন জানান, হরতালের নামে কেউ যাতে অরাজগতা সৃষ্টি করতে না পারে এজন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ শান্তিপূর্ণ হরতাল পালন করলে বাঁধা দেবে না। কেউ যদি বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করে তাহলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে তিনি জানান।
No comments:
Post a Comment