নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার উপজেলা গণমিলনায়তনে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- মোজাম্মেল হোসেন (৩৫), শাহজাহান (৩২), হারুন (৩১), জাহিদ হোসেন (৩৪) ও তালেবুজ্জামান (৩৭)।
আহতদের মধ্যে মোজাম্মেল হোসেনকে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি তালেবুজ্জামান বাংলানিউজকে জানান, গণমিলনায়তনে দলের বর্ধিত সভা শুরুর ঘণ্টা খানেক পর উপজেলা যুব সংহতির সভাপতি হারুন ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন মিলনায়তনে ঢোকার টেষ্টা করে। এ সময় মোজাম্মেল হোসেন তাঁদের বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
এরই জের ধরে মোজাম্মেল গ্রুপ ও জাহিদ গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় মোজাম্মেলসহ ৫ জন আহত হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি আরও জানান, ভুল বোঝাবুঝি থেকে ওই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে এক ঘণ্টা পর আবার সভা শুরু হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান বাংলানিউজকে জানান, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সংবাদ পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।
------------------------------------------------------------------------------------------------
গেস্ট রুমের সোফায় বসাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হলে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় ৬ ছাত্র আহত হয়েছে।
শনিবার রাত সাড়ে ১১ টায় সংঘটিত এ সংঘর্ষে আহতরা হলেন দর্শন বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র শরীফ, ইংরেজি বিভাগের ২য় বর্ষের জাকির ও রাজীব এবং একই বিভাগের ১ম বর্ষের সোহেল, শিহাব ও তপু।
আহতরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হল ছাত্রলীগের ময়মনসিংহ গ্রুপের মামুনের অনুসারী ও বরিশাল গ্রুপের জাহিদের অনুসারীদের মধ্যে গেস্ট রুমে বসাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় হল জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যস্থতায় উভয় গ্রুপ শান্ত হলেও এখনো হলে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।
--------------------------------------------------------------------------------------------------
ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানমের সভামঞ্চে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় কদমতলীর মুরাদনগর হাইস্কুল মাঠের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত এ সমাবেশে হামলা চালানো হয়।
সমাবেশে সানজিদা খানমের প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল। তিনি সমাবেশস্থলে আসছিলেন। কদমতলী থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফালানের নেতৃত্বে ওই মঞ্চে হামলা চালানো হয়। পরে আগুন দেয়া হয়।
কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি তফাজ্জল এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব পরিচয় দেয়া ড. আওলাদের হুকুমে এ হামলা চালানো হয় বলে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাংসদ সানজিদা খানম বাংলানিউজকে বলেন, এ সভায় আমি ছিলাম না। তবে আমার যাওয়ার কথা ছিল। বিকেল ৪/৫টার দিকে ড. আওলাদ ও তোফাজ্জল লোকজন নিয়ে কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এবং পেট্রোল দিয়ে মঞ্চে আগুন দেওয়া হয়। এসময় বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজতে থাকা মাইকও ভাংচুর করে তারা।
তিনি আরো বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের মঞ্চের পাশে আরেকটি মঞ্চ করে ড. আওলাদকে প্রধানমন্ত্রীর এপিএস ঘোষণা করা হয়। আসলে সে আমাদের নেত্রীর এপিএস নন। মিটিংয়ের নামে আমাদের সভায় হামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২০-২৫জন আহত হয়েছে। ২জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
---------------------------------------------------------------------
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শনিবার সকালে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন।
আশংকাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেনকে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার সকালে কামারখন্দ উপজেলা ছাত্রলীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন উপজেলা অডিটোরিয়ামে শুরু হয়। সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে আল আমিন বাবু ও রাসেল আহমদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটে। এক পর্যায়ে আল আমিন বাবুর নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলা চালায়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়।
গুরুতর ছনোয়ারকে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করায় এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কামারখন্দ থানার ওসি সোহরাব আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কোন পক্ষই সন্ধ্যা পর্যন্ত মামলা করতে থানায় আসেনি।
No comments:
Post a Comment