প্রতিদিন ২৪ ডেস্ক
তবে আসাদ দুররানি এটা বার বার জোর দিয়ে দাবি করেছেন, তিনি ১৯৯১ সালে বিএনপিকে কোনো টাকা দেননি। বিষয়টি পাকিস্তানি গণমাধ্যমসহ বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে।
পাকিস্তানি গণমাধ্যমে বলা হয়, বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে ইসলামাবাদের হাইকমিশনের মাধ্যমে প্রতিলিপি ঢাকায় পাঠানো হয়। এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, জাতীয় স্বার্থ জড়িত থাকায় পাকিস্তান সূপ্রিমকোর্ট সাক্ষ্যটিকে গত ৩০ মার্চ গোপনীয় ঘোষণা করেন। অবশ্য গত ৮ মার্চ এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রুল দেয়া হয়েছিল। এখন সেই সাক্ষ্যের অনুলিপি পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়, যতদিন সাক্ষ্যের কপিকে ‘আনক্লাসিফাইড’ ঘোষণা করা না হবে।
তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১ জন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলে গত ১৯ মার্চ দুররানির বক্তব্যের একটি অনুলিপি ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে পাঠায় পাকিস্তান সরকার। সেখান থেকে পরে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে দলিলটি।
No comments:
Post a Comment