প্রতিদিন ২৪ ডেস্ক
পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের সূত্র ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
তবে মি. সেনগুপ্তের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তারা এখনো
চিঠি পাননি এবং এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজী নন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসির কাছে একটি ব্যবসার লাইসেন্স পেতে সৌমেন সেনগুপ্তকে যে বিপুল অংকের অর্থ দিতে হয়েছে সে বিষয়ে জানতে তাকে আগামী ২৬শে এপ্রিল সকালে কমিশনে যেতে বলা হয়েছে।
কমিশনার সাহাবুদ্দিন জানান, মি. সেনগুপ্তের দেয়া বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তা পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন।
গত ৯ এপ্রিল মধ্যরাতে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ব্যক্তিগত সহকারীর গাড়িতে বিপুল পরিমাণ টাকা পাওয়ার পর রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। পরে অবশ্য তাকে দফতরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেসময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার ছেলে সৌমেন সেনগুপ্তের সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখার দাবি ওঠে। তবে সৌমেন সেনগুপ্তের সাথে কথা বলা সম্ভব না হলেও তার বাবা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত জানান যে তারা এখনো কোনো চিঠি পাননি।
দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছ থেকে চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি দেখা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্ত্রব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এর আগে বিটিআরসিতে পাঁচ কোটি টাকা জমা দিয়ে ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এক উপ পরিচালকের নেতৃত্বে দুই সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সূত্র: বিবিসি।
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসির কাছে একটি ব্যবসার লাইসেন্স পেতে সৌমেন সেনগুপ্তকে যে বিপুল অংকের অর্থ দিতে হয়েছে সে বিষয়ে জানতে তাকে আগামী ২৬শে এপ্রিল সকালে কমিশনে যেতে বলা হয়েছে।
কমিশনার সাহাবুদ্দিন জানান, মি. সেনগুপ্তের দেয়া বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তা পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবেন।
গত ৯ এপ্রিল মধ্যরাতে রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ব্যক্তিগত সহকারীর গাড়িতে বিপুল পরিমাণ টাকা পাওয়ার পর রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। পরে অবশ্য তাকে দফতরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেসময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার ছেলে সৌমেন সেনগুপ্তের সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখার দাবি ওঠে। তবে সৌমেন সেনগুপ্তের সাথে কথা বলা সম্ভব না হলেও তার বাবা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত জানান যে তারা এখনো কোনো চিঠি পাননি।
দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছ থেকে চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি দেখা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে তিনি আর কোনো মন্ত্রব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
এর আগে বিটিআরসিতে পাঁচ কোটি টাকা জমা দিয়ে ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এক উপ পরিচালকের নেতৃত্বে দুই সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সূত্র: বিবিসি।
No comments:
Post a Comment